জোগেন্দ্রনাথ মন্ডলকে নিয়ে যা কিছু আমরা জানি, তার প্রায় সবটাই এসেছে একটিমাত্র উৎস থেকে — তাঁর নিজের ১৯৫০ সালের পদত্যাগপত্র এবং তাঁর নিজস্ব বয়ান। অন্য পক্ষের, বিশেষত পাকিস্তান রাষ্ট্রযন্ত্র ও মুসলিম লীগ নেতৃত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটনাপ্রবাহকে যাচাই করার সুযোগ এখনও সীমিত। এই রচনাটি সেই সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখেই এগোনো একটি প্রাথমিক পাঠ — চূড়ান্ত রায় নয়, বরং প্রশ্ন তোলবার একটি প্রয়াস।
পাকিস্তান রাষ্ট্রের সূচনালগ্নের ভীতি ও তার রাজনৈতিক পরিণাম
পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের সূচনাপর্বে উত্তর ভারতীয় মুসলিম এলিট নেতৃত্বের একটি প্রধান উদ্বেগ ছিল রাষ্ট্রটি আদৌ টিকবে কিনা। এই আশঙ্কা এতটাই তীব্র ছিল যে, তা একরকম সামষ্টিক হিস্টিরিয়ার রূপ নিয়েছিল বলে ইতিহাসবিদেরা পর্যবেক্ষণ করেছেন। কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশের পূর্বাভাস ছিল যে পাকিস্তান ছয় মাসের মধ্যেই আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যাবে — এবং বাস্তবতা প্রায় সেদিকেই যাচ্ছিল। স্বাধীনতার প্রথম ছয় মাসের মাথায় নতুন রাষ্ট্রের সিভিল সার্ভিসের বেতন মেটানোর মতো অর্থও কোষাগারে ছিল না। এমন এক প্রশাসনিক ও আর্থিক টালমাটাল পরিস্থিতিতে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের ওপর জমে থাকা সন্দেহের পাহাড়ের অন্যতম প্রত্যক্ষ শিকার হয়ে ওঠেন জোগেন্দ্রনাথ মন্ডল। পূর্ব পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ওপর তৎকালীন সীমান্তের ওপারের ঘটনাপ্রবাহের প্রভাব — বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতির সংকেত — নিয়মিতভাবে অনুভূত হচ্ছিল।
মন্ডলের রাজনৈতিক পটভূমি ও লীগের সঙ্গে সংযোগ
জোগেন্দ্রনাথ মন্ডলের (২৯ জানুয়ারি ১৯০৪ – ৫ অক্টোবর ১৯৬৮) রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় নমশূদ্র তথা তপশিলি জাতিসমূহের প্রতিনিধি হিসেবে বঙ্গীয় আইন পরিষদে। ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলার কয়েকজন প্রথম সারির লীগ নেতার আহ্বানে তিনি বঙ্গীয় আইন পরিষদে মুসলিম লীগের সঙ্গে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেন (Mandal, ১৯৫০-এর পদত্যাগপত্র অনুসারে)। তাঁর এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি ছিল — বাংলার মুসলমানদের অর্থনৈতিক স্বার্থ মূলগতভাবে তপশিলি সম্প্রদায়ের স্বার্থের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ, এবং লীগের সঙ্গে সহযোগিতা ব্যাপক আকারে আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কার ঘটাতে সক্ষম হবে, যা বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর কল্যাণ সাধন করবে এবং একই সঙ্গে বিদ্যমান সংখ্যাগরিষ্ঠ-স্বার্থ ও সুবিধাভোগী কাঠামোকে দুর্বল করবে।
ইতিহাসবিদ দ্বৈপায়ন সেন দেখিয়েছেন, মন্ডলের এই রাজনীতি নিছক আপসকামিতা ছিল না, বরং বাংলার দলিত রাজনীতির একটি স্বতন্ত্র ও আত্মবিশ্বাসী কৌশলগত অবস্থান — যার লক্ষ্য ছিল উচ্চবর্ণ হিন্দু আধিপত্য থেকে মুক্ত একটি পৃথক রাজনৈতিক পরিসর নির্মাণ (Sen, ২০১৮)। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রিসভায় তিনি মন্ত্রী হন এবং আম্বেদকরের সঙ্গে মিলে শিডিউলড কাস্টস ফেডারেশনের বঙ্গীয় শাখা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৪৬ সালের বঙ্গীয় গণপরিষদ নির্বাচনে আম্বেদকরের জয় নিশ্চিত করতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
১৯৪৬ সালের নভেম্বরে তিনি ভারতের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আইন দপ্তরের দায়িত্ব নেন, এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর দেশটির প্রথম মন্ত্রিসভায় আইন ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন — যা তাঁকে পাকিস্তানের প্রথম আইনমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে স্থান দেয়।
দাঙ্গা-পরবর্তী রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ
১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা ও বরিশালে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর মন্ডল ব্যক্তিগতভাবে দাঙ্গা-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন — ঢাকায় নয় দিন অবস্থান করে মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন, এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেনে বহু নিরীহ হিন্দুর হত্যার সংবাদে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত হন বলে নিজেই লিখেছেন। এই সংকটকালেই ১৯৫০ সালের ৮ এপ্রিল নেহরু-লিয়াকত চুক্তি (দিল্লি চুক্তি) স্বাক্ষরিত হয়, যা তাৎক্ষণিক জাতীয় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করে। মন্ডল নিজে দিল্লি চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নের আশায় ঢাকা, বরিশাল, ফরিদপুর, খুলনা ও যশোর জেলায় ব্যাপক সফর করে হিন্দুদের দেশত্যাগ না করার আহ্বান জানান, কিন্তু চুক্তির শর্তাবলি বাস্তবে রূপায়িত না হওয়ায় তিনি ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়েন (Mandal-এর পদত্যাগপত্র)।
দাঙ্গা-পরবর্তী এই পর্বে মন্ডলের রাজনৈতিক অনুমান ছিল এরকম যে, তিনি যদি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে তা পাকিস্তান মন্ত্রিসভার পতন ত্বরান্বিত করবে, এবং পূর্ববঙ্গের হিন্দু জনগোষ্ঠী দলে দলে তাঁর সঙ্গে ভারতে চলে যাবে — যার ফলে পূর্ববঙ্গের ভারতভুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে। বাস্তবে এই রাজনৈতিক প্রত্যাশা ফলবতী হয়নি। জিন্নাহর মৃত্যুর (সেপ্টেম্বর ১৯৪৮) পর লিয়াকত আলি খান সরকার যখন ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করার প্রস্তাব — যা পরবর্তীতে ‘অবজেক্টিভস রেজলিউশন’ নামে পরিচিত হয় — সমর্থন করে, মন্ডল তার তীব্র বিরোধিতা করেন এবং একে জিন্নাহর কল্পিত ধর্মনিরপেক্ষ পাকিস্তানের ধারণার সরাসরি প্রত্যাখ্যান বলে অভিহিত করেন। ক্রমশ রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং শারীরিক ও মৌখিক আক্রমণের মুখে তিনি কলকাতায় পালিয়ে যান এবং ১৯৫০ সালের ৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের কাছে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র পাঠান।
হিন্দু মহাসভা, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ও পশ্চিমবঙ্গের প্রতিক্রিয়া
এই সময়কালে হিন্দু মহাসভার তরফে লিফলেট বিলি করে পূর্ববঙ্গের হিন্দুদের পশ্চিমবঙ্গে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়, এবং সেখানে অর্থ ও জমি বরাদ্দের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। এই রাজনৈতিক অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পটভূমি হলো শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গের দাবি। ১৯৪৭ সালের মে মাসে লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে লেখা এক চিঠিতে মুখার্জি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, সমগ্র ভারত অবিভক্ত থাকলেও বাংলাকে ভাগ করতেই হবে। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইনসভায় বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব পাস হওয়ার পেছনে তাঁর সক্রিয় ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা ছিল বলে স্বীকৃত। এই রাজনৈতিক ধারার একটি অন্তর্নিহিত হিসাব ছিল যে, বিভাজিত বাংলার পূর্বাংশ শীঘ্রই — অনেকের ধারণা মতে ছয় মাসের মধ্যেই — পুনরায় পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের সঙ্গে যুক্ত হবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ঠিক এই সময়কালে হায়দ্রাবাদসহ একাধিক প্রিন্সলি স্টেট সামরিক পুলিশি অ্যাকশনের মাধ্যমে ভারতভুক্ত হয়েছিল — যা এই প্রত্যাশাকে আরও বাস্তবসম্মত মনে করাচ্ছিল।
কিন্তু বাস্তবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসন মন্ডলের প্রতি এবং তাঁর সঙ্গে ভারতে আগত নমশূদ্র উদ্বাস্তুদের প্রতি যে আচরণ করেছিল, তা তাঁর প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল।
প্রত্যাবর্তন-পরবর্তী পরিণতি: নমশূদ্র উদ্বাস্তু ও দণ্ডকারণ্য প্রকল্প
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব মন্ডলের প্রতি কোনো অনুকূল আচরণ করেনি — বরং তাঁকে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হতে হয়, এমনকি কারাবরণও করতে হয়। ১৯৬৭ সালে বারাসাত কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হন — মূলত পাকিস্তান গঠনের অন্যতম রূপকার হিসেবে তাঁর অতীত পরিচয়ের কারণে তিনি ভারতীয় রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতা পাননি। ১৯৬৮ সালের ৫ অক্টোবর বনগাঁয় শরণার্থী হিসেবেই তাঁর মৃত্যু হয় — পাকিস্তানের প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে তিনিই ছিলেন প্রথম যিনি মন্ত্রিসভা ও দেশ ত্যাগ করেছিলেন।
তবে সবচেয়ে গভীর বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছিল মন্ডলের সঙ্গে পূর্ববঙ্গ থেকে আগত নমশূদ্র জনগোষ্ঠী। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুক্তি দেখায় যে রাজ্যে এই বিপুল সংখ্যক কৃষিজীবী শরণার্থীকে পুনর্বাসনের মতো পর্যাপ্ত জমি নেই। ফলে ১৯৫৬ সালে ঘোষিত হয় দণ্ডকারণ্য প্রকল্প — মধ্যপ্রদেশ ও উড়িষ্যার প্রায় ৭৮,০০০ বর্গমাইল অনুর্বর, সেচবিহীন আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে নমশূদ্র শরণার্থীদের জোরপূর্বক পুনর্বাসনের পরিকল্পনা, যেখানে অস্বীকৃতির ক্ষেত্রে শিবিরে খাদ্য-ভাতা বন্ধ করে দেওয়ারও বিধান ছিল।
এমনকি ১৯৫০ সাল থেকেই গোপনে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে নমশূদ্র পরিবারদের পাঠানো শুরু হয়েছিল, এবং ১৯৫৩ সাল থেকে আন্দামান পুনর্বাসনের জন্য বিশেষভাবে শুধু নমশূদ্র কৃষকদেরই নির্বাচন করার একটি স্পষ্ট নীতি গৃহীত হয়। এই ইতিহাসের একটি করুণতম অধ্যায় পরবর্তীকালে ঘটে ১৯৭৯ সালে সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপে, যেখানে দণ্ডকারণ্য থেকে পালিয়ে আসা নমশূদ্র শরণার্থীদের ওপর তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের নির্দেশে দমনমূলক অভিযান চালানো হয়।
জোগেন মন্ডল — যাঁকে হিন্দুত্ববাদী প্রচারণায় প্রায়শই দলিত-মুসলিম ঐক্যের ব্যর্থতার প্রতীকী দৃষ্টান্ত হিসেবে হাজির করা হয় — বাস্তবে এই নমশূদ্র উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন-সংগ্রামে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত হতে পারেননি, এমনকি রিফিউজি রাজনীতিতে সক্রিয় কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গেও সংগঠিতভাবে কাজ করতে পারেননি। তিনি প্রায় একাকী এই সংগ্রাম চালিয়ে যান, রাজনৈতিকভাবে ক্রমশ প্রান্তিক হতে হতে।
রাজনৈতিক আইকনোগ্রাফি ও ঐতিহাসিক জটিলতা
সাম্প্রতিক ভারতীয় রাজনীতিতে, বিশেষত ২০১৭ সালের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, মন্ডলের পদত্যাগপত্র একাধিক রাজনৈতিক শিবির কর্তৃক নির্বাচিতভাবে উদৃত হয়েছে। বহুজন সমাজ পার্টি মন্ডলের লীগ-সংযোগকে দলিত-মুসলিম ঐক্যের একটি মূল্যবান পরীক্ষা হিসেবে তুলে ধরেছে, আবার ভারতীয় জনতা পার্টি ঘনিষ্ঠ ‘পাকিস্তান ওয়াচ’ জার্নাল তাঁর পদত্যাগপত্রকে সুবিধামত (সিলেক্টিভ) উদৃত করে দলিত-মুসলিম জোটের বিরুদ্ধে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু এই দ্বিতীয় পাঠ একরৈখিক ও উদ্দেশ্যমূলক — কেননা মন্ডল নিজেই তাঁর পদত্যাগপত্রে স্পষ্টভাবে লিখেছেন যে লীগের সঙ্গে তাঁর সহযোগিতার মূল যুক্তি ছিল বাংলার মুসলমান ও তপশিলি সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক স্বার্থের সাযুজ্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নির্মাণের সম্ভাবনা — অর্থাৎ তাঁর প্রকল্পটি ছিল একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক দর্শন, নিছক প্রতিক্রিয়াশীল আপসকামিতা নয়।
সাম্প্রদায়িক এমনেশিয়া ও ঐতিহাসিক দায়
বাঙালি মুসলমান সমাজ পাকিস্তান আন্দোলন ও তার অব্যবহিত পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এক ধরনের সামষ্টিক বিস্মৃতির মধ্যে বসবাস করে। এই বিস্মৃতির ফল হলো, হিন্দুত্ববাদী প্রচারণার জবাব দেওয়ার মতো ঐতিহাসিক আত্মবিশ্বাস ও তথ্যভিত্তিক প্রস্তুতি তাদের নেই — বরং তারা কেবল প্রচারণার নিষ্ক্রিয় ভোক্তা হিসেবে এক ধরনের হীনম্মন্যতায় নিমজ্জিত থাকে, এবং এই নিষ্ক্রিয়তাকেই ভুলবশত ‘অসাম্প্রদায়িকতা’ বলে মনে করে। প্রকৃত অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তুলতে হলে জোগেন মন্ডলের মতো জটিল, বহুস্তরীয় এবং প্রায়শই বিস্মৃত ঐতিহাসিক চরিত্রদের নিয়ে সমালোচনামূলক ও তথ্যনির্ভর আলোচনার কোনো বিকল্প নেই।
সূত্র নির্দেশঃ
- Sen, Dwaipayan. The Decline of the Caste Question: Jogendranath Mandal and the Defeat of Dalit Politics in Bengal. Cambridge: Cambridge University Press, 2018.
- Mandal, Jogendra Nath. Resignation Letter to Prime Minister Liaquat Ali Khan, 8 October 1950.
প্রথম প্রকাশঃ ফেইসবুক, ৩ জুলাই ২০২১